দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে শনিবার আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন। এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে ইন্দোনেশিয়ায় সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে রয়েছে—
পালু, সিগি—৪ হাজার ১৪১ জন নিহত
২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সুনামি ও ব্যাপক ভূমি তরলীকরণের ঘটনা ঘটে। এতে সুলাওয়েসি দ্বীপের পালু শহর ও আশপাশের এলাকা ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিহত হন ৪ হাজার ১৪১ জন, আহত হন ৪ হাজার ৪৩৮ জন এবং নিখোঁজ হন ৭০৫ জন। ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয় ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি।
চিয়ানজুর—৬০২ জন নিহত
২০২২ সালের ২১ নভেম্বর পশ্চিম জাভা প্রদেশে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ৬০২ জন নিহত হন। তুলনামূলক কম মাত্রার হলেও গত এক দশকে সুনামিবিহীন ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী। আহত হন ৭ হাজার ৮১০ জন এবং ৫৬ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
লম্বক—৫১৮ জন নিহত
২০১৮ সালের ৫ আগস্ট ৭ মাত্রার ভূমিকম্প ও পরবর্তী শক্তিশালী কয়েকটি কম্পনে পশ্চিম নুসা তেংগারা প্রদেশের লম্বকের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে অন্তত ৫১৮ জন নিহত হন।
মামুজু-মাজেনে—১০৭ জন নিহত
২০২১ সালের ১৫ জানুয়ারি ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে পশ্চিম সুলাওয়েসি প্রদেশে সরকারি কার্যালয়, ঘরবাড়ি ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা ধসে পড়ে। এতে ১০৭ জন নিহত হন। মামুজু ও মাজেনে এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
পিদি জায়া—৯৬ জন নিহত
২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বর ভোরের আগে ৬ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে ভবন ধসে পড়ে এবং অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এতে ৯৬ জন নিহত ও শত শত মানুষ আহত হন। ২০০৪ সালের ভয়াবহ সুনামির পর আচেহ প্রদেশের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্যোগগুলোর একটি ছিল এটি।
/অ